মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার জয়চন্ডী ইউনিয়নের তিন'টি চা-বাগানের পাঁচ শতাধিক নারী চা শ্রমিকদেরকে রেইনকোট দেওয়া হয়েছে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ওয়াদা মোতাবেক বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে সুরক্ষা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এই রেইনকোট দেওয়া হয়। এ নিয়ে উপজেলায় দ্বিতীয় দফায় রেইনকোট বিতরণ করেন আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু এমপি।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় দিলদারপুর, দুপুর ১২ টায় বিজয়া এবং দুপুর ১ টায় মেরিনা চা-বাগানে নিয়মিত ৫৩৩ জন মহিলা শ্রমিকদের হাতে রেইকোটগুলো তুলে দেওয়া হয়। এরমধ্যে দিলদারপুর চা-বাগানের ১৭৬ জন, বিজয়া চা-বাগানের ৮৪ জন এবং মেরিনা চা-বাগানের ২৭৩ জন রেজিস্ট্রার্ড মহিলা শ্রমিক এসব রেইনকোট পেয়েছেন। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য চা-বাগান গুলোতেও রেইনকোট বিতরণ করা হবে।
জয়চন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিকুর রহমান ইমরানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিতুর রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে আমি প্রথম চা-শ্রমিকদের রেইনকোটের বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। আমি নির্বাচনের সময় চা-শ্রমিকদের বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করতে দেখেছি। সেদিন আমি ওয়াদা করেছি নির্বাচিত হই বা না হই, চা-শ্রমিকদের জন্য রেইনকোটের ব্যবস্থা করবো, ইনশাআল্লাহ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটের চা-বাগান শ্রমিকদের মধ্যে বেসরকারি খাতের সিএসআর তহবিলের সহায়তায় ইতিমধ্যে ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ করেছেন। প্রথম ধাপে কুলাউড়ার বিভিন্ন বাগানে আড়াই হাজার রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে। এখন আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অন্যান্য চা বাগান গুলোতে নারী চা-শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করছি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রানেশ চন্দ্র বর্মা, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না, দিলদারপুর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম, মেরিনা চা-বাগান ব্যবস্থাপক গোলাম ফারুক, বিজয়া চা-বাগান ব্যবস্থাপক হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কমর উদ্দিন কমরু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মইনুল হক বকুল, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বৈদ্য, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম আলো, যুবদল নেতা, জুনেদ আহমদ, রাজন আহমদ, ইউপি সদস্য সাবিত্রী রানী রাজভর, মেরিনা পঞ্চায়েত সভাপতি খোকা নায়েক, আব্দুল করিম, আবুল হোসেন প্রমুখ।
কেএন