প্রকাশিত

১২/১০/২০২৬ ০৮:১৬:৫০ অপরাহ্ন

লাইফস্টাইল

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কি তালাক দেওয়া যায়? কী বলে আইন ও শরীয়াহ

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কি তালাক দেওয়া যায়? কী বলে আইন ও শরীয়াহ

প্রকাশিত: ১২/১০/২০২৬ ০৮:১৬:৫০ অপরাহ্ন

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কি তালাক দেওয়া যায়? কী বলে আইন ও শরীয়াহ

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কি তালাক দেওয়া যায়? কী বলে আইন ও শরীয়াহ
আইনি ও ধর্মীয় দিক থেকে এই প্রক্রিয়ার কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে
পরিবার ও সমাজ জীবনে নানা জটিলতার কারণে অনেক সময় বিবাহবিচ্ছেদের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয় দম্পতিদের। তবে আইনি ও ধর্মীয় দিক থেকে এই প্রক্রিয়ার কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। বিশেষ করে স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা বা গর্ভবতী থাকা অবস্থায় তালাক দেওয়া যাবে কিনা এবং এর পরবর্তী নিয়মকানুন ও সন্তানের দায়ভার কীভাবে নির্ধারিত হয়—তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় তাকে তালাক দেওয়া যায়। তবে সাধারণ সময়ের মতো এই তালাক সঙ্গে সঙ্গে বা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় না। 
গর্ভাবস্থায় তালাক দিলে তা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকে। অর্থাৎ, তালাক কার্যকর হওয়ার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। এক্ষেত্রে ৯০ দিন এবং সন্তান প্রসব—এই দুটির মধ্যে যে দিনটি পরে আসবে, সেই দিন থেকেই তালাকটি পুরোপুরি কার্যকর হবে। 

আইন অনুযায়ী, এই পুরো সময়টাতে স্ত্রী পূর্ণ ভরণপোষণ পাওয়ার আইনগত অধিকার রাখে। অর্থাৎ তালাকের নোটিশ দেওয়া হলেও সন্তান প্রসব বা নির্দিষ্ট সময় পার হওয়া পর্যন্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব স্বামীকেই বহন করতে হয়। 

সন্তানের ভরণপোষণ কার দায়িত্বে?
স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের পর সন্তানের অভিভাবকত্ব ও লালন-পালন নিয়ে আইন ও শরিয়তে পরিষ্কার নির্দেশনা রয়েছে। তালাক বা বিচ্ছেদের পর সাধারণত সন্তান মায়ের কাছেই লালিত-পালিত হবে। 

নিয়ম অনুযায়ী, একটি ছেলে সন্তান ৭ বছর বয়স পর্যন্ত এবং মেয়ে সন্তান বয়ঃসন্ধিকাল বা সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত মায়ের জিম্মায় বা কাছে থাকবে। তবে সন্তানদের দৈনন্দিন খরচ ও ভরণপোষণ বাবদ যাবতীয় আর্থিক দায়ভার আইনগতভাবে বাবাকেই বহন করতে হবে।

 

s /a