সম্মাননা পেলেন তিন তরুণ-তরুণী
ছায়ানটের "সহজ মানুষ উৎসব-২০২৬"-এ সম্মাননা পেলেন তিন তরুণ-তরুণী
প্রকাশিত: ০৪/০৮/২০২৬ ০৪:৫৩:০০ অপরাহ্ন
ছবি: ।
দিরাই প্রতিনিধি: দেশের অন্যতম সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট আয়োজিত "সহজ মানুষ উৎসব-২০২৬"-এ সম্মাননা পেয়েছেন সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার তিন তরুণ-তরুণী আবৃত্তি ও সংগীতশিল্পী সুচিতা রায়, সিদ্ধার্থ তালুকদার ও দেবলীনা রায়। গত ১ আগস্ট ঢাকার ধানমন্ডিতে ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উৎসবে তাঁদের হাতে উত্তরীয় ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও আবৃত্তিকার জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় এবং ড. মকবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে তিন শিল্পী একটি করে কবিতা আবৃত্তি ও একটি করে আঞ্চলিক গান পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনা দর্শক-শ্রোতাদের প্রশংসা কুড়ায়। আয়োজকরা জানান, লোকসংস্কৃতি, আবৃত্তি ও সংগীতচর্চায় তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন। তাঁদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলকে আরও সমৃদ্ধ করবে। সম্মাননা পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে সুচিতা রায় বলেন, জাতীয় আবৃত্তিশিল্পী রবিশঙ্কর মৈত্রী এবং নৃত্যশিল্পী সাইফুল ইসলাম ইভানের দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণাই তাঁর এগিয়ে চলার শক্তি। সুচিতা রায় আরও বলেন,উনাদের অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনায় তিনি আবৃত্তিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করি। ভবিষ্যতেও আবৃত্তি ও নৃত্যচর্চায় নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। সিদ্ধার্থ তালুকদারের বাবা জুয়েল রানা তালুকদার বলেন, জাতীয় আবৃত্তিশিল্পী রবিশঙ্কর মৈত্রী ও সংগীতশিক্ষক নারায়ণ দাসের অবদান সিদ্ধার্থের সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সবার কাছে ছেলের জন্য দোয়া কামনা করেন। দেবলীনা রায়ের বাবা রিংকু রায় বলেন, জাতীয় আবৃত্তিশিল্পী রবিশঙ্কর মৈত্রীর আন্তরিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় তাঁর মেয়ে এ সম্মাননা অর্জন করেছে। একই সঙ্গে তিনি সংগীতগুরু অশুক রায়ের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এইচ বি বা