প্রকাশিত

০৯/০৮/২০২৬ ০৬:৩৫:০১ অপরাহ্ন

সিলেট জুড়ে

মাছ লু*টের অভিযোগ

দিরাইয়ে ইজারাকৃত জলমহালে থেকে মাছ লু*টের অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৯/০৮/২০২৬ ০৬:৩৫:০১ অপরাহ্ন

ছবি: ।

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় ইজারাকৃত একটি জলমহালে অনধিকার প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ মাছ লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিলে জলমহালের ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় ভরারগাঁও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি গোলজার মিয়া দিরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দিরাই থানার ৩ নম্বর রাজানগর ইউনিয়নের রাজানগর মৌজার অন্তর্ভুক্ত ‘কছমা গ্রুপ বন্ধ জলমহাল’টি ভরারগাঁও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির অনুকূলে ১৪৩০ বাংলা সন থেকে ১৪৩৫ বাংলা সন পর্যন্ত ছয় বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইজারা পাওয়ার পর থেকে সমিতির সদস্যরা জলমহালটি রক্ষণাবেক্ষণ ও মাছ সংরক্ষণ করে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


অভিযোগে আরও বলা হয়, গত বছরের ১৩ অক্টোবর একটি সংঘবদ্ধ দল ওই জলমহালে প্রবেশ করে প্রায় সাত লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় দিরাই থানায় একটি মামলা করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।


ভরারগাঁও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি ও মামলার বাদী গোলজার মিয়া অভিযোগ করে বলেন, পূর্বের ঘটনার পর চলতি বছরও একই ব্যক্তিরা জলমহালের মাছ লুটের চেষ্টা করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল ৬টার দিকে শাল্লা উপজেলার আটগাঁও গ্রামের মৃত মিয়াফর মিয়ার ছেলে জুনেদ মিয়ার নেতৃত্বে দেড় শতাধিক লোক কয়েকটি নৌকাযোগে দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার জাল নিয়ে জলমহালে প্রবেশ করেন। পরে তারা জলমহাল থেকে প্রায় ছয় লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নিয়ে যান।


এ সময় মাছ ধরতে বাধা দিলে অভিযুক্তরা অভিযোগকারী ও সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় গোলজার মিয়া নিজের ও জলমহালের নিরাপত্তা এবং আইনগত প্রতিকার চেয়ে দিরাই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।


দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।





এইচ বি বা