প্রকাশিত

২৬/০৮/২০২৬ ০৩:১৬:০৮ অপরাহ্ন

দেশজুড়ে

মিলাদুন্নবীর জুলুসে লাখো মানুষের ঢল

চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে লাখো মানুষের ঢল

প্রকাশিত: ২৬/০৮/২০২৬ ০৩:১৬:০৮ অপরাহ্ন

ছবি: ।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জুলুসের নগরীতে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম। হামদ-নাত, তাকবির, দরুদ শরিফ ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় জশনে জুলুস। কেউ হেঁটে, কেউ ট্রাক-পিকআপে করে জুলুসে অংশ নিতে আসেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো নগরী।


বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৮টায় ষোলশহর আলমগীর খানকা শরিফ থেকে আল্লামা পীর সাবির শাহর নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুসের শোভাযাত্রা বের হয়।


জুলুস উপলক্ষে নগরীতে সাজ সাজ রব পড়ে। গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়ক বিভাজকগুলো সাজানো হয় বড় বড় তোরণ, আনজুমানের পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানারে। সবুজ পতাকা ও নানা রঙের সাজসজ্জায় বদলে যায় জুলুসের পুরো পথ।


পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুসের শোভাযাত্রাটি ষোলশহরের আলমগীর খানকা-এ-কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া থেকে শুরু হয়ে বিবিরহাট, মুরাদপুর, ষোলশহর ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, ওয়াসা, দামপাড়া, লালখান বাজার ও টাইগারপাস হয়ে নির্ধারিত পথে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা-সংলগ্ন জুলুস ময়দানে গিয়ে শেষ হয়।


সেখানে সকাল থেকে দেশ-বিদেশের ইসলামী আলোচকরা ঈদে মিলাদুন্নবীসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন।


জশনে জুলুসকে ঘিরে নগরীর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও জুলুসের বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। জুলুস চলাকালে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। লালখান বাজার থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত ফ্লাইওভারও বন্ধ করে দেওয়া হয়।


১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম নগরে এ জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ওই বছর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রহ.) চট্টগ্রামে এ জুলুসের প্রবর্তন করেন।


পীর সাবির শাহর নেতৃত্বে জুলুসে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ।





এইচ বি বা