প্রকাশিত

০৭/০৯/২০২৬ ০৭:২২:২১ অপরাহ্ন

শিক্ষাঙ্গন

উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন

সিকৃবি উপাচার্যের অনিয়মের প্রতিবাদে ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার পদত্যাগ

প্রকাশিত: ০৭/০৯/২০২৬ ০৭:২২:২১ অপরাহ্ন

ছবি: ।

উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এর আগে, তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে সিকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে ৫ শিক্ষকসহ পদত্যাগকারী নয়জন কর্মকর্তা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন, শহীদ জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া, হযরত শাহজালাল (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক, হযরত শাহপরান (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, দূররে সামাদ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মজুমদার, ঢাকার গেস্ট হাউসের অফিসার ইনচার্জ মো. বাসির উদ্দিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক গাজী মো. জহিরুল ইসলাম, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. আশরাফুজ্জামান, ক্যাম্পাসের গেস্ট হাউসের অফিসার ইনচার্জ গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. বাসির উদ্দিন।

পদত্যাগকারীরা সিকৃবির বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠন সাদা দলের সদস্য বলে জানা গেছে।
মানববন্ধনে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য নিয়োগ ও আর্থিক দুর্নীতি করে আসছেন। যখন-তখন যাকে-তাকে শোকজ ও হয়রানি করছেন। তারা বলেন, আবেদন করার ন্যূনতম যোগ্যতা নেই, এমন লোকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
উপাচার্যের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে। তারা উপাচার্যের অপসারণ দাবি করেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। এসব কারণে উপাচার্যকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানান তারা।
পদত্যাগকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যে কারণে তারা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন।
অবশ্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম শিক্ষকদের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি পক্ষ তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এ ধরনের ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা কেবলই যোগ্যতাসম্পন্ন। কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি করা হয়নি।


সিলেট/তা/৩