প্রকাশিত

১৯/০৯/২০২৬ ০৭:২১:০৪ অপরাহ্ন

রাজনীতি

১৯৬৫ সালের এক শনিবারের দুপুর। বিলেতের বিখ্যাত কেমব্রিজ শহরের এক পরিচিত গ্রিক রেস্তোরাঁ ‘ভার্সিটি’।

প্রথম দেখায়ই যেভাবে সোনিয়ার প্রেমে পড়েছিলেন রাজীব গান্ধী

প্রকাশিত: ১৯/০৯/২০২৬ ০৭:২১:০৪ অপরাহ্ন

ছবি: ।

১৯৬৫ সালের এক শনিবারের দুপুর। বিলেতের বিখ্যাত কেমব্রিজ শহরের এক পরিচিত গ্রিক রেস্তোরাঁ ‘ভার্সিটি’। আঠারো বছর বয়সি ইতালীয় তরুণী সোনিয়া সেখানে গিয়েছিলেন নিজের পছন্দের খাবার খেতে। নতুন দেশে এসে মনটা তার বেশ খারাপই ছিল। কিন্তু তিনি স্বপ্নেও ভাবেননি, সেই সাধারণ শনিবারের দুপুরটি তার পুরো জীবনটাই বদলে দেবে!
খাবার খাওয়ার জন্য সোনিয়া যখন হেঁটে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই রেস্তোরাঁর ১১ নম্বর টেবিলে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তরুণ রাজীব গান্ধী। সোনিয়া পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজীবের বন্ধুদের আড্ডা যেন নিমেষেই থেমে গেল। রাজীব তো প্রথম দেখাতেই একেবারে মুগ্ধ! তিনি আর কোনো কথা না বলে একটি কাগজের নেপকিন আর কলম তুলে নিয়ে সোনিয়ার জন্য কবিতা লিখতে শুরু করলেন।
এরপর রেস্তোরাঁর মালিককে ডেকে পাঠালেন সেরা ওয়াইনের বোতল নিয়ে আসার জন্য। রাজীবের অনুরোধে রেস্তোরাঁর মালিক নিজে গিয়ে সোনিয়ার টেবিলে সেই ওয়াইন আর কবিতা লেখা নেপকিনটি পৌঁছে দিলেন।
আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা না দেওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ জাতিসংঘ মহাসচিবের
সোনিয়া আর রাজীব—দুজনই প্রথম দেখাতেই একে অপরের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। সোনিয়া পরে তার এক বইয়ে লিখেছেন, খুব কাছ থেকে আমাদের চোখ যখন প্রথম মুখোমুখি হলো, আমি নিজের বুকের ধুকপুকানি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম। আমাদের দুজনের জন্যই সেটা ছিল প্রথম দেখাতেই প্রেম।
এর পরের দিনগুলো তাদের বেশ আনন্দেই কেটেছিল। পুরনো একটা গাড়ি চেপে ঘুরে বেড়ানো, নদীতে নৌকা চালানো আর সিনেমা দেখতে যাওয়া—সব মিলিয়ে দুর্দান্ত এক সময় কাটছিল তাদের।
তবে, অবাক করা বিষয় হলো, প্রেমে পড়ার পরও সোনিয়া কিন্তু জানতেনই না যে রাজীব ভারতের এত বড় রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে! কিছুদিন পর এক বন্ধু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখালে সোনিয়া প্রথম বুঝতে পারেন, তার মনের মানুষটি আসলে ভারতের সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান।


রাজনীতি/তা/৬