প্রকাশিত

১৩/০৮/২০২৬ ০৮:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন

সিলেট জুড়ে

তিন খু ন

সিলেটে তিন খু ন,ঘটনায় ছোরা উদ্ধার

প্রকাশিত: ১৩/০৮/২০২৬ ০৮:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন

ছবি: ।



সিলেট মহানগরীর রায়নগরে মিতালী ১১১ নম্বর বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত বাবুল মিয়ার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে রায়নগরের একটি খালি জায়গা থেকে ছোরাটি উদ্ধার করা হয়। এতে শুকনো রক্তের দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত উদ্ধারের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব তথ্য জানান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর ও প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল মিয়া ছোরাটি রায়নগর এলাকার একটি খালি প্লটে ফেলে দেন। বুধবার সন্ধ্যায় ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়েও ছোরাটি পাওয়া যায়নি। পরে বৃহস্পতিবার সকালে শ্রমিক নিয়ে পুনরায় সেখানে তল্লাশি শুরু করা হয়। একপর্যায়ে ছোরাটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ছোরাটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। ছোরায় থাকা রক্তের সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাওয়া রক্তের নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে। এর মাধ্যমে ছোরায় থাকা রক্ত কার, সেটিও নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের আলামত বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পর ছোরাটি ধুয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। বাসার বেসিন ও হাত ধোয়ার স্থানেও রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ছোরার ধাতব অংশে শুকনো রক্তের দাগ রয়েছে। এছাড়া একটি ব্যাগেও রক্তের দাগ পাওয়া গেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল মিয়া যে ধরনের ছোরার কথা বলেছেন, উদ্ধার করা ছোরাটির সঙ্গে তার যথেষ্ট মিল রয়েছে। বাবুল মিয়া রংমিস্ত্রির পাশাপাশি কসাইয়ের কাজও করেন। কসাইয়ের কাজে ব্যবহৃত ছুরি সাধারণত শক্ত ও মজবুত হয়ে থাকে।

বাবুলের দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী, ছোরাটি ছয় থেকে সাত ইঞ্চি লম্বা এবং কাঠের হাতলযুক্ত হওয়ার কথা। উদ্ধার করা ছোরাটির সঙ্গে সেই বর্ণনার যথেষ্ট মিল রয়েছে। তবে ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফল ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে ছোরাটি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।


sa